মেনু নির্বাচন করুন

খাল ও নদী

মাইজখাপন ইউনিয়নের খাল ও নদী সমূহ:

মাইজখাপন ইউনিয়নের দুটি নদী  ও ৪টি খাল বিদ্যামান।

নদী মাতৃক দেশ বাংলাদেশ। নদীগুলোর এদেশের প্রাণ। শতাধিক ছোট বড় নদী ছড়িয়ে রয়েছে এদেশ জুড়ে। নদী গুলোর দু পাশেই গড়ে উঠেছে নগর ও বন্দর এবং হাট বাজার ইত্যাদি। মাইজখাপন ইউনিয়নের নদী গুলোর এর ব্যতিক্রম নয়। নরসুন্ধা ও ধলেশ্বরী নদীর দুপাশেই গড়ে উঠেছে জন বসতি।  নদী-নালা খাল বিল হচ্ছে  প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অপূর্ব মহিমা। নদী (River)  নদী যে অঞ্চলে উৎপত্তি লাভ করে তাকে নদীর উৎস এবং যে স্থানে সমুদ্রে বা হ্রদে মিলিত হয় সেই স্থানকে মোহনা বলে। নদীর চলার পথে কখনও কখনও ছোট ছোট অন্যান্য নদী বা জলধারা এসে মিলিত হয়ে প্রবাহ দান করে- এগুলো উপনদী নামে পরিচিত। একটি নদী এবং এর উপনদীসমূহ একত্রে একটি নদীপ্রণালী বা নদীব্যবস্থা (river system) গঠন করে। ভূ-পৃষ্ঠ কখনও পুরোপুরি সমতল নয়। ইউনিয়নের ভূমিগঠন, জনবসতি স্থাপন, শস্য উৎপাদন , জলপথে যোগাযোগ , ব্যবসা-বাণিজ্যসহ আর্থ -সামাজিক কর্মকান্ডে এবং নিজস্ব সংস্কৃতি বিকাশে এই নদ-নদী গুলোর গুরুত্ব অপরিসীম।

১. নরসুন্দাঃ

নরসুন্দা নদী হোসেনপুর - পাকুন্দিয়ার সীমানার নিকট ব্রহ্মপুত্রের সাথে সংযুক্ত। অন্যদিকে ইটনা উপজেলার বাদলার নিকট ধনু নদীর সাথে সংযুক্ত। স্থানীয়ভাবে  এই সংযোগস্থল ‘‘চৌগাংগা’’ নামে পরিচিত। নরসুন্দাকে ব্রহ্মপুত্রের শাখা নদী হিসাবে ব্যাপকভাবে গণ্য করা হয়ে থাকে। কিশোরগঞ্জে মূল নরসুন্দা নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ৩০ মাইল (প্রায় ৫৮ কি: মি:)। এক সময় কিশোরগঞ্জ শহরের প্রধান আকর্ষণ ছিল এই নরসুন্দা এবং অদ্যাবদি তা কিশোরগঞ্জ শহরকে দুভাগে বিভক্ত করে রেখেছে। একে নিয়ে অনেক গল্প, কাহিনী, কিংবদন্তী, রোমান্টিকতা কিশোরগঞ্জবাসীর মনে এখনো গেঁথে আছে। বর্তমানে মৃত নরসুন্দাকে ঘিরে  কিশোরগঞ্জবাসী নতুন করে স্বপ্ন দেখছে। বর্তমান সরকার নরসুন্দাকে খনন করে  মনোরম লেক করার পরিকল্পনা করছে। এটি বাস্তবায়িত হলে কিশোরগঞ্জ একটি মনোরম শহর হিসাবে পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষন করবে।

২. ধলেশ্বরীঃ

এ নদী মেঘনা নদীর একটি শাখা নদী। অষ্টগ্রামে মেঘনা নদী থেকে এ নদীর উৎপত্তি। এ নদী মাইজখাপন ইউনিয়নের তাহেরগঞ্জ ও নীলগঞ্জ পুরান বাজারকে বিভক্ত করেছে। ধলেশ্বরী নদীতে মিলিত হয়েছে নরসুন্দা নদী মাইজখাপন ইউনিয়নের নীলগঞ্জ বাজারে এই দুটি নদী মোহনা সৃষ্টি করেছে এবং নীলগঞ্জ বাজার ও মিলনগঞ্জ বাজারকে বিভক্ত করেছে। 


 খালঃ মাইজখাপন ইউনিয়নে ৪টি খাল বিদ্যমান-

১. কালিয়াকুড়ি, ২. চন্দ্রীখাল, ৩. ফুলবাড়ীয়াখাল, ৪.লাউয়াখালী।